বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ দেওয়ার সময় ঋণদান কার্যক্রমকে কিভাবে সুষ্ঠ ও নিয়মমাফিক করা যায় সেজন্য আগে থেকেই প্রয়োজনীয় কৌশল বা নির্দেশনা ঠিক করে রাখে।
বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ নীতি বলতে আগে থেকে ঠিক করে রাখা কোন নির্দেশনাকে বুঝায়, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সময় মেনে চলা হয়। এই কৌশল বা নির্দেশনাকেই ব্যাংকের ঋণ নীতি বলে।
ব্যাংকের ঋণ নীতিতে নিম্নলিখিত বিষয়ের সুস্পষ্ট উত্তর থাকতে হবে, যথা-
১. ব্যাংকের তহবিলের কত অংশ ঋণ হিসাবে দেওয়া হবে এবং তা কিভাবে নির্ধারণ করা হবে?
২. কোন্ কোন্ খাতে ঋণ দেওয়া হবে?
৩. কোন্ ঋণ কত মেয়াদের জন্য দেওয়া হবে?
৪. ঋণের আবেদন কিভাবে গৃহীত হবে?
৫. ঋণের পরিমাণ ও খাত ভেদে ঋণ মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ কে বা কারা হবেন?
৬. কোন ঋণের জামানত কী হবে?
৭. ঋণগ্রহীতার সাথে ঋণের চুক্তি কিভাবে সম্পাদন করা হবে?
৮. কিভাবে ঋণ বিশ্লেষণ করা হবে?
৯. ঋণের কিস্তি কত হবে এবং কিভাবে তা নির্ধারণ করা হবে?
১০. ঋণ তদারকী কার্যক্রম কিভাবে পরিচালনা করা হবে?
১১. ঋণের কিস্তি খেলাপী হলে কী করতে হবে?
১২. খেলাপী ঋণ আদায়ে কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে?
মোটকথা ঋণনীতিতে ঋণের তহবিল ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে ঋণ আদায় পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা একটি ঋণ নীতিতে থাকে। এই নির্দেশনা যত বেশি সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত হয় প্রকৃত ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা ততই সহজ হয়।
0 মন্তব্যসমূহ