Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

মুদ্রানীতি বলতে কী বুঝায়?

 মুদ্রানীতি হল একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য দেশের আর্থিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত নীতি যা দেশের অর্থনীতিতে অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত ও নিয়ন্ত্রণ করে। মুদ্রানীতি দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সুদের হার এবং অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে। একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা স্বাধীন কোন প্রতিষ্ঠান আর্থিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও পরিচালনা করে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সামষ্টিক, অভ্যন্তরীণ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিক অবস্থা বিবেচনায় করে এবং বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যৎ অর্থনীতিক অবস্থা অনুমান করে মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে থাকে।


বিভিন্ন মণীষী মুদ্রাণীতিকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। যেমন-

অধ্যাপক আর.পি.কেন্ট বলেন, “ পূর্ণ নিয়োগের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রচলিত অর্থের যোগানের পরিমাণে হ্রাস-বৃদ্ধির পরিচালনার নীতিকে মুদ্রানীতি বলা হয়। 

অধ্যাপক এ . জি জনসন বলেন “ আর্থিকনীতি বা মুদ্রাণীতি হলো এমন এক ধরনের নীতি যার দ্বারা কেন্দ্রীয় অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কতকগুলো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করে। ”

ডঃ পল এনজিগ বলেন “ কোন সমাজের আওতাধীন মুদ্রা ব্যবস্থার প্রতি রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের আচরণকে মুদ্রানীতি বলে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রতি বছর দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। প্রথমবার বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারিতে এবং দ্বিতীয়বার মুদ্রানীতি ঘোষণা হয় বছরের মাঝামাঝিতে অর্থাৎ জুলাইতে।

মূলত; আগামী দিনগুলোতে জিনিসপত্রের দাম কম থাকবে, নাকি জিনিসপত্রের দাম বাড়বে অথবা আগামী ছয় মাস বা একবছর সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে নাকি ব্যয় কমবে, দেশে বেকারের সংখ্যা বাড়বে, নাকি চাকরির সুযোগ তথা কর্মসংস্থান বাড়বে , দেশে দারিদ্র্য বিমোচনের গতি বাড়বে নাকি কমবে তার একটা রূপরেখা থাকে মুদ্রানীতিতে ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ